মন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করার পর রবিবার প্রথম এক অরাজনৈতিক মঞ্চে এসে নিজের বক্তব্য রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী|এদিন অনেকেই ভেবেছিলেন মহিষাদল রাজবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজিত অরাজনৈতিক সভায় হয়তো তিনি তৃণমূলের ওপর তাঁর ক্ষোভ উগরে দেবেন বা নিজের দলবদলের জল্পনা বাড়িয়ে দেবেন। তবে অরাজনৈতিক সভায় এদিন রাজনীতির আঁচ লাগতে দেননি জননেতা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী|

তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যপদ বা বিধায়ক পদ এখনও না ছাড়লেও তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা বজায় রেখেছেন শুভেন্দু|
এদিন তার অনুগামী’‌দের দেখা যায় সাদা টি–শার্ট পরে শুভেন্দু অধিকারীর নাম লিখে বিশাল ব্যানার মাথায় করে সভাস্থলে ঢুকতে|এদিন শুভেন্দু বলেন, ‘সমস্ত ব্যবস্থাতেই শেষ কথা বলবে জনগণ। সংবিধান আমাদের এই অধিকার দিয়েছে। সেই জনগণের বিপুল সমুদ্র ঢেউকে সামনে রেখে আমার দায়বদ্ধতা পালনে কাজ করে যাব।’‌ সভা শেষে তিনি বলেন, ‘‌আমি রাস্তায় থাকব।’‌ এই মন্তব্য অত্যান্ত তাৎপর্য পূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই|

অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে এদিনই শুভেন্দুর সভামঞ্চ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে পাল্টা মিছিল ও সমাবেশ করে তৃণমূল। নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী— সুজিত বসু ও রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।সন্ধ্যায় শুভেন্দুর লিফ্ট এ চড়ে ওঠা ও প্যারাসুট এ করে নামার উদাহরণ প্রসঙ্গে সাংসদ অভিষেক বন্দোপাধ্যায় নাম না করে পাল্টা সুর চড়িয়েছেন|

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য পূর্ব মেদিনীপুরে অধিকারী পরিবারের প্রাধান্য ও আধিপত্য দীর্ঘ দিনের|এখনো সাংসদ পদে রয়েছেন শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী|তৃণমূলের সৃষ্টি লগ্ন থেকে অধিকারী পরিবারের অবদানও কম নয় বলেই মনে করেন দলের একাংশ|আগামী দিনে পরিবারের বাকিদের অবস্থান কি হয়, কি হয় শুভেন্দুর রাজনৈতিক ভবিষ্যত তা নিয়ে জল্পনা চলছে রাজনৈতিক মহলে|

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here