শুরুতেই আরো একবার নতুন  বছরের  শুভেচ্ছা জানাই,আমি বার বার বলি অমাবস্যা পূর্ণিমার মতো মহাজাগতিক ঘটনা গুলো একাধারে  বৈজ্ঞানিক ইভেন্ট আবার অস্ট্রোলোজিকাল ইভেন্ট কারন এই বিশেষ সময়ে সৃষ্টি হয় কিছু বিশেষ গ্রহগত সংযোগ যা মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে দুভাবে, পসিটিভ ভাবে আবার নেগেটিভ ভাবে|বছরের শুরুতেই যে অমাবস্যা দিয়ে  মহাজাগতিক বা আধ্যাত্মিক জগতের  কর্মকান্ডের সূচনা হয় তা হলো বকুল অমাবস্যা |

আমার গৃহ  মন্দিরে অমাবস্যা উপলক্ষে বিশেষ পুজো এবং হোম যজ্ঞর আয়োজন নতুন কিছুনা , প্রতি বছর  বকুল অমাবস্যা বা পৌষ  অমাবস্যায় এই পরম্পরা বজায় থাকে |গ্রহের নেগেটিভ বা অশুভ প্রভাব কাটিয়ে শুভ বা পসিটিভ প্রভাব কে কাজে লাগিয়ে জীবনে শুভ পরিবর্তন ঘটানোই জ্যোতিষ শাস্ত্রের মূল লখ্য,তা কালার থেরাপির মাধ্যমেও হয় আবার আধ্যাত্বিক উপায় ও আছে এবং সেক্ষেত্রে এই অমাবস্যা তিথি  সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ |

অনেক আশা, অনেক ভরসা নিয়ে সবাই পা রেখেছি একটা নতুন বছরে, বিগত বছর টা প্রায় সবারই কেটেছে একটি দুঃস্বপ্নর মতো, তাই এই সময়ের আমাদের চাহিদা অনেক বেশি, আর এই চাহিদা পূরণে বিজ্ঞান যেমন কাজ করে চলেছে দিন রাত তেমনই পিছিয়ে নেই আমাদের আধ্যাত্বিক জগৎ, জ্যোতিষ জগৎ|আমাদের সচেতন  থাকতে হবে  এবং প্রার্থনা করে  যেতে হবে  পরমপিতার কাছে আর অবশ্যই স্বাস্থ সংক্রান্ত বিধি নিষেধ  অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে  হবে |পালন  করুন এই অমাবস্যা তিথি  শাস্ত্রীয় পদ্ধতিতে|ভালো থাকুন, আনন্দে থাকুন|আনন্দ হি কেবলাম|

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here